Tuesday, February 2, 2021

নেগেটিভ চিন্তাই নিজেকে ধ্বংসের মূল কারন

Habibur Rahman

আমেরিকার_বোস্টনে ১৯৮৬ সালে একটি অদ্ভুত পরীক্ষা করা হয় ৷ এক ফাঁসির আসামীকে ফাঁসির সাজা শোনানো হলো ৷ কতিপয় বিজ্ঞানী সে আসামীর উপর একটি পরীক্ষা করার প্রস্তাব করলেন । কয়েদীকে শোনানো হলো ফাঁসির বদলে তোমাকে বিষাক্ত কোবরা সাপ দংশন করিয়ে হত্যা করা হবে।

কয়েদীকে চেয়ারে বসিয়ে তার হাত-পা বেঁধে দেয়া হলো, তারপর তার চোখে পট্টি বেঁধে বিষাক্ত কোবরা সাপ না এনে তার বদলে দুটি সেফ্টি পিন ফুটানো হলো। ফলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই কয়েদির মৃত্যু হলো ৷ পোস্টমর্টেম রিপোর্টে দেখা গেল সাপের বিষ রয়েছে তার শরীরের মধ্যে। প্রশ্ন হলো এই বিষ কোথা থেকে এলো, যা ঐ কয়েদীর প্রাণ কেড়ে নিল ৷

বলা হয় সেই বিষ তার নিজের শরীর থেকেই উৎপত্তি হয়েছিল।আমাদের সংকল্প থেকে positive এবং negative এনার্জির সৃষ্টি হয়। আর সে এনার্জি আমাদের শরীরে হরমোনের উৎপত্তি করে ৷ ৭৫% রোগের মূল কারণ হলো আমাদের negative চিন্তাধারা। মানুষ নিজের চিন্তাধারা থেকে ভস্মাসূর হয়ে নিজ প্রজাতিকে বিনাশ করছে।

আপনার চিন্তাধারা সর্বদা positive রাখুন এবং খুশী থাকুন। ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত আমরা ভাবি যে ‘মানুষ কি মনে করবে ! ৫০ বছর আমরা ভয় পাই ‘মানুষ কি ভাববেন!‘ ৫০ বছর পরে আমরা বুঝতে পারি ‘কেউ আমার কথা চিন্তাই করেনি৷‘ কিন্তু তখন তেমন কিছু করার থাকে না!

Habibur Rahman
27-September-2019

লোকে কি বলবে? এই ভাবনাটি বাদ দিতে পারলে তবেই সফলতা আপনার

Habibur Rahman

 


লোকে কি বলবে? এই ভাবনাটি বাদ দিতে পারলে তবেই সফলতা আপনার ।

যেকোনো কাজই করতে যান না কেন সমালোচনা হবেই! লোকজন সমালোচনা করবেই। আশেপাশের মানুষজন যদি আপনার কাজের সমালোচনা না করে তবে বুঝে নিবেন কাজটা আপনি সঠিক ভাবে করছেন না। মানুষ জনের কথা অনেক সময় গলার কাঁটার মতো লাগে। অনেকেই এই পর্যায়ে এসে পিছপা হয়ে যান। কিন্তু না, এটাই সঠিক সময় কাজে এগিয়ে যাওয়ার। আপনাকে কাজের মাধ্যমেই মানুষকে দেখিয়ে দিতে হবে যে আপনি ভুল কিছু করছেন না।

জীবনটা খুবই ছোট, এই ছোট জীবন নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে নিয়ে কাটানোটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। মানুষ তো কথা বলবে। মানুষের কথায় কান না দিয়ে নিজের মতো করে জীবনটাকে এগিয়ে নিয়ে যান, সাফল্য আসবেই।

Habibur Rahman
DECEMBER 7, 2018

Sunday, January 31, 2021

শুধু দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করুন, পরিবর্তন হবে পৃথিবী

Habibur Rahman

জীবনে সফল হবার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে দৃষ্টি ভঙ্গি। শুধুমাত্র একটি সুসম্পন্ন হ্যাঁ বোধক দৃষ্টি ভঙ্গিই আপনাকে সবার সেরা করে তুলতে সক্ষম। মানুষ তার মনোভাবের পরিবর্তন ঘটিয়ে তার জীবনযাত্রার পরিবর্তন ঘটাতে পারে ।

হ্যাঁ বোধক দৃষ্টিভঙ্গি হল পৃথিবীর সমস্ত ভাল কিছু যোগ করা। আর না বোধক দৃষ্টিভঙ্গি হল পৃথিবীর সমস্ত ভাল কিছু বিয়োগ করা।

হ্যাঁ বোধক দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ হল সেই ব্যক্তি যে জানে, মানে আর বিশ্বাস করে যে তার দ্বারাই সম্ভব। না বোধক দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ হল সেই ব্যক্তি যে জানে, মানে তার বিশ্বাস করে, যে তার দ্বারা সম্ভব নয়, সে পারবেনা, সে পারেনা ইত্যাদি।

জীবনে সফলতার শীর্ষে আরোহন করতে হলে হ্যাঁ বোধক দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী হতে হবে।

Habibur Rahman

Monday, January 18, 2021

আমরা কেন ব্যর্থ হই

Habibur Rahman

 


আমরা কেন ব্যর্থ হই, কারণ আমরা নিজেদের জন্য লড়াই করতে ভয় পাই । সম্ভবত সাফল্য লাভের জন্য ব্যর্থ হওয়া খুব কঠিন একটা বিষয়, যা যে কারো সাথে ঘটতে পারে। যখন আমরা ব্যর্থ হই, তখন আবার চেষ্টা করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলি, অথবা আমাদের স্বপ্ন ও প্রতিভার জন্য কঠোর প্ররিশ্রম করতে প্রেরনার অভাববোধ করি । যখন অন্যরা আমাদের ব্যর্থ বলে, তখন নিজের উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে তাদের কথা-ই বিশ্বাস করি এবং আমরা আমাদের স্বপ্নের বড় ক্যানভাস থেকে একটু একটু করে নিজেকে গুটিয়ে নেই । মনে রাখতে হবে সাফল্য এবং ব্যর্থতা উভয়ই জীবনের অংশ তবে কোনটাই স্থায়ী নয়।

তবে আমরা কিন্তু অলস, আমরা সফলতার জন্য যতেষ্ট পরিশ্রম না করেই সফলতা অর্জন করতে চাই এবং আমরা যখন তা অর্জন করতে পারিনা তখন হাল ছেড়ে দেই আর সারাজীবন এই বলে কাঁটাই যে আমি সম্পূর্ণ ব্যর্থ একজন মানুষ।

কোন ক্ষেত্রে ব্যর্থ হওয়া ছাড়া জীবন অসম্ভব,, যদি আপনি খুব সাবধানে জীবন যাপন না করে থাকেন বা কখনো চেষ্টাই না করে থাকেন, সে ক্ষেত্রে আপনি নিজের দোষেই ব্যর্থ।

জ্যাকমা, স্টিভ জবস, বিল গেটস, ওয়াল্ট ডিজনি ও স্টিফেন হকিং পৃথিবীর সবচেয়ে সফল মানুষের তালিকায় আছেন, কিন্তু তারা সবাই তাদের প্রথম জীবনে খুব বাজে ভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন । এই সকল অনুপ্রেরনায় দুইটি জিনিস লক্ষ করা যায়, তারা কখনো থেমে থাকেনি বা সফল না হওয়া পর্যন্ত তারা বার বার চেষ্টা করে গেছেন ।

কলোনেল স্যান্ডাস এর রেসিপি ১০০৯ বার রিজেক্ট হওয়ার পরের তিনি থেমে থাকেননি, তিনি বার বার চেষ্টা করেছেন এবং ৬০ বছর বয়সে তার প্রতিষ্ঠিত KFC আজ বিশ্ব খ্যাত।

Habibur Rahman
December 7, 2018